দেহরাদুন: বর্ষা বিদায় নিলেও ভয়াবহ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে চলেছে দুই পাহাড়ি রাজ্য উত্তরাখণ্ড আর হিমাচল প্রদেশ। রবিবার এবং সোমবার দুই রাজ্যেই অতিবৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে। ছুটির মরশুম বলে এই মুহূর্তে এই দুই রাজ্যে অসংখ্য পর্যটক রয়েছেন, তাঁরাও বিপদে পড়তে পারেন।
অক্টোবরের এই সময়ে হিমাচল এবং উত্তরাখণ্ড মূলত শুকনোই থাকে। মাঝেমধ্যে অবশ্য কোনো পশ্চিমী ঝঞ্ঝা হানা দিলে বৃষ্টিপাত হয়। তবে তা ভারী বৃষ্টির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, কখনই অতি ভারী বর্ষণ হয় না। কিন্তু এ বার সেটাই হতে চলেছে।
শুধু অতি ভারী বর্ষণই নয়, রবি এবং সোমবার উত্তরাখণ্ডের কোথাও কোথাও চরম অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। অর্থাৎ এক দিনে দুশো মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হতে পারে। সেই সঙ্গেই, রাজ্যের উঁচু এলাকাগুলিতে তুষারপাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে চলেছে।
এই মুহূর্তে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলঙ্গানা সন্নিহিত অঞ্চলে একটি নিম্নচাপ রয়েছে। ওই নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে ঘূর্ণাবর্ত হলেও ক্রমে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। এর পাশাপাশি আফগানিস্তানে একটি পশ্চিম ঝঞ্ঝাও রয়েছে। এই ঘূর্ণাবর্ত এবং পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জোড়া ফলায় প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগর থেকে ধেয়ে যাবে পাহাড়ি দুই রাজ্যে। এর ফলেই ব্যাপক বর্ষণের আশংকা।
এখন পর্যটনের মরশুম। করোনার প্রকোপ কমতেই অনেকেই এই দুই রাজ্যে বেড়াতে গিয়েছেন। বাঙালি পর্যটকও নেহাৎ কম নয়। সবার কাছেই আগামী দু’তিন দিন একটু সাবধানে পা ফেলার আবেদন করছে খবর অনলাইন।
আরও পড়তে পারেন
প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কেরল, নিখোঁজ অনেকেই, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
from KhaborOnline https://ift.tt/3jc8B1Z