কলকাতা: নবমীর নিশি পোহাতেই বেজে গিয়েছে বিসর্জনের বাজনা। শুক্রবার দশমী। এ বার উমাকে বিদায় জানানোর পালা। নবান্নের নির্দেশ মেনে আগামী চারদিন প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া যাবে। কোভিডবিধি মেনে প্রতিমা নিরঞ্জনে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ ও পুরসভা।
আসছে বছর আবার আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আজ দেবী পাড়ি দিচ্ছেন কৈলাসে। মণ্ডপে মণ্ডপে সিঁদুর খেলা, কোলাকুলিতে শুভেচ্ছা বিনিময়, মিষ্টিমুখ। হাসি মুখে মাকে বিদায় জানিয়ে আরও একটা বছরের অপেক্ষা। দেবীকে বিদায় জানাতে গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে শুরু হয়েছে বিসর্জনের জোরদার প্রস্তুতি। এ দিন বেলা গড়াতেই শুরু হয়েছে প্রতিমা নিরঞ্জন।
এ দিন অধিকাংশ বাড়ির এবং অপেক্ষাকৃত ছোটো বারোয়ারি পুজোর প্রতিমা নিরঞ্জন হচ্ছে। দশমীর প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য গঙ্গায় ১৭টি ঘাটে প্রস্তুত কলকাতা পুরসভা ও কলকাতা পুলিশ। তবে শনিবার বিসর্জন কম হতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু ১৮ অক্টোবরের (সোমবার) মধ্যেই বিসর্জন সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। ফলে রবিবার বেশ সংখ্যক, বিশেষত বড়ো পুজোগুলো প্রতিমা নিরঞ্জন করতে পারে।
গত বছরের মতোই কোভিড সতর্কতা ও বিধি মেনেই গঙ্গার ১৭টি ঘাটে বিসর্জনের ব্যবস্থা করেছে পুরসভা। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভিড় হবে জাজেস ঘাট, বাজে কদমতলা ও দই ঘাটে। ক্রেন দিয়ে গঙ্গা থেকে প্রতিমার কাঠামো তুলে নিয়ে যাওয়া হবে ধাপায়।
পাশাপাশি দূষণ রোধে তৎপর কলকাতা পুরসভা। কলকাতা পুরসভার তরফে কৃত্রিম ভাবে জলাশয় তৈরি করে বিসর্জনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে হোসপাইপ দিয়ে প্রতিমা ধুয়ে ফেলা হবে।
আরও পড়ুন: ভিড়ে লাগাম টানতে বাতিল ১৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন, দশমীর পর চালু করার সিদ্ধান্ত
from KhaborOnline https://ift.tt/3lGI66l